Skip to main content

হকারের বেশেও কার্যক্রম চালাচ্ছে জঙ্গিরা

হকারি বেশেও জঙ্গি কার্যক্রম চালানো হচ্ছে। এরই অংশ হিসেবে রাজধানীর অদূরে গার্মেন্টস ফ্যাক্টরি অধ্যুষিত এলাকা বেছে নেয়া হয়েছে। দেশে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর একের পর এক অভিযানে তালিকাভুক্ত জঙ্গিরা নানাভাবে ছদ্মাবেশ ধারণ করে তাদের কার্যক্রম চালাচ্ছে।
গাজীপুর থেকে আটক জেএমবির তিন সদস্য প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে র‌্যাবকে এসব তথ্য জানিয়েছে।র‌্যাব সদর দপ্তরের লিগ্যাল এ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের সিনিয়র এএসপি মিজানুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। 
মঙ্গলবার রাতে র‌্যাব-১ গাজীপুর থেকে আজিজুল হাকিম (৩৪),  হাসান আলী(৩৬) এবং কামরুল হাসান(৪২) নামে তিন জঙ্গিকে আটক করে।
র‌্যাব সূত্র জানায়, জেএমবি জঙ্গিদের মধ্যে বেশ কয়েকজন সদস্য পুনরায় সংগঠিত হয়ে আইন-শৃঙ্খলার অবনতি ঘটানোর পরিকল্পনা  করছে। গোয়েন্দা তথ্য  ও তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহারে মাধ্যমে জানা যায় , এই সংগঠনটি কয়েকজন সদস্য মঙ্গলবার জয়দেবপুর থানাধীন নান্দাইন গ্রামস্থ একটি বাড়িতে একত্রিত হয়ে হয়ে গোপন বৈঠকে মিলিত হয়েছে। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে খবর পাওয়ার পর তাৎক্ষনিক পরিচালিত অভিযানে তাদের আটক করা হয়। পরবর্তীতে বাড়ি তল্লাশি করে সংগঠনের রাষ্ট্রবিরোধী নীতিমালা সম্বলিত পুস্তক, বেশ কিছু বেআইনি বই, তাদের নিজ হাতে লেখা কিছু নোট খাতা উদ্ধার করা হয়।
আটককৃতদের জিজ্ঞাসাবাদের বরাত দিয়ে র‌্যাব জানায়, হাসান আলী দীর্ঘদিন ধরে জয়দেবপুরে হকারি পেশার পাশে মানুষকে নিজেদের সংগঠনে আসার জন্য দাওয়াত দিয়ে আসছিল এবং দলের বিভিন্ন পরিকল্পনার জন্য ইয়ানত (চাঁদা) সংগ্রহ করত। সম্প্রতিকালে আইন- শৃঙ্খলা বাহিনীর জঙ্গী বিরোধী অভিযানের ফলে সে গা ঢাকা দিয়ে তাদের দলের অপর সদস্য আজিজুল হাকিমের বাসায় আশ্রয় নেয়। তারা মাঝে মাঝে স্বল্প পরিসরে তাদের অপর নেতা কামরুলের নির্দেশনা অনুযায়ী আজিজুল হাকিমের বাসায় গোপন বৈঠকে মিলিত হতো। আটককৃতরা হকারিসহ নানা পেশায় যুক্ত হয়ে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর চোখ এড়িয়ে  মূলত এলাকা হতে বিভিন্ন পন্থায় ইয়ানত (চাঁদা) সংগ্রহ করা এবং নির্দেশনা অনুযায়ী তা তাদের ঊর্ধ্বতন নেতার কাছে বিভিন্ন মারফতে প্রেরণ করতো। তাদের কাছ থেকে সংগঠনের আরো অনেকের নাম  পাওয়া গেছে। তাদের গ্রেপ্তার করে আইনের হাতে সোপর্দ করার আভিযানিক কার্যক্রম চলমান রয়েছে। 

Comments

Popular posts from this blog

সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী প্রমোদ মানকিন আর নেই

সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট প্রমোদ মানকিন (৭৭) বুধবার ভোরে ভারতের মুম্বাইয়ের হলি ফ্যামিলি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেছেন। Click Here ফুসফুসের সংক্রমণে আক্রান্ত হয়ে ময়মনসিহংহ-হালুয়াঘাটের এই আওয়ামী লীগ নেতা কিছুদিন ধরে মুম্বাইয়ের ওই হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন। বুধবার ভোরে তার মৃত্যুর খবর দেশে আসে বলে তার পরিবারের সদস্যরা জানান। গারো সম্প্রদায়ের প্রতিনিধি প্রমোদ মানকিন জাতীয় সংসদে ময়মনিসংহ-১ (হালুয়াঘাট-ধোবাউড়া) আসনের ভোটারদের প্রতিনিধিত্ব করেছেন চার বার।    তার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রয়াত এই নেতার পরিবারের সদস্যদের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন। ১৯৩৯ খ্রিস্টাব্দের ১৮ এপ্রিল নেত্রকোণা জেলার দুর্গাপুর উপজেলার বাকালজোড়া ইউনিয়নের রামনগর গ্রামে এক গারো খ্রিস্টান পরিবারে প্রমোদ মানকিনের জন্ম। ১৯৯১ সালে আওয়ামী লীগে দিয়ে তিনি রাজনীতিতে সক্রিয় হন। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত হালুয়াঘাট উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও ময়মনসিংহ জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ছিলেন তিনি। 

সাইবার হামলা মোকাবেলা বড় চ্যালেঞ্জ

ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেছেন, এই মুহূর্তে শুধু বাংলাদেশ নয়, বিশ্বের যেকোনো ব্যক্তি, পরিবার, প্রতিষ্ঠান কিংবা দেশের জন্য সাইবার হামলা মোকাবেলা করা সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দেখা দিয়েছে। সোমবার সংসদে জাতীয় পার্টির সদস্য নূরুল ইসলাম মিলনের কার্যপ্রণালী বিধির ৭১ বিধি অনুসারে জরুরি জনগুরুত্বপুর্ণ নোটিশের জবাবে তিনি এ কথা বলেন। প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা বেশকিছু সাইবার হামলার শিকার হয়েছি। শুধু বাংলাদেশ নয়, সারাবিশ্বের অনেক উন্নত আধুনিক এবং যারা এই সাইবার জগতে নেতৃত্ব দেয় সেইসব দেশগুলোও মারাত্বকভাবে সাইবার হামলার শিকার হয়েছে।’ জুনাইদ আহমেদ পলক বলেন, এই মুহূর্তে কোন ব্যক্তি, পরিবার বা প্রতিষ্ঠানকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে হলে আর সশস্ত্র হামলা চালানোর প্রয়োজন নেই। সাইবার হামলা চালিয়েই যে কোন ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান বা দেশের ক্ষতি করা সম্ভব। তাই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আমরা বেশকিছু পদক্ষেপ নিয়েছি। তিনি বলেন, ‘ডিজিটাল বাংলাদেশের ভিশন যখন প্রধানমন্ত্রী ঘোষণা করেন তারপর থেকেই বাংলাদেশে ডিজিটাইজেশনের কার্যক্রম শুরু হয়। এরপর আস্তে আস্তে যতবেশি ডিজিটাইজেশন হয়, ত...

গুণীজনদের সংবর্ধনা দিল ডিরেক্টরস গিল্ড

এক অন্যরকম দৃষ্টান্ত স্থাপন করল ডিরেক্টরস গিল্ড। নির্মাণের সঙ্গে জড়িত নানা গুণীজনদের উৎসবমুখর পরিবেশে সংবর্ধনা দিয়েছে টেলিভিশন নির্মাতাদের সংগঠন ডিরেক্টরস গিল্ড। সংগঠনের গুণীজনদের সংবর্ধনা দেয়ার জন্য প্রথমবারের মতো এমন আয়োজন করে নাট্য নির্মাতাদের এই সংগঠন।মূলত এই সংগঠনের সদস্য যারা একুশে পদক, স্বাধীনতা পুরস্কার ও জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন তাদের সম্মান জানাতেই এই সংবর্ধনার আয়োজন করা হয়েছে বলে জানালেন সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক এস এ হক অলিক। উক্ত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন নবীন-প্রবীণ নির্মাতা, চলচ্চিত্র ব্যক্তিত্ব, নাট্য ব্যক্তিত্ব, অভিনেতা-অভিনেত্রী ও শুভানুধ্যায়ীরা। শুক্রবার পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী রাজধানীর একটি কনভেশন সেন্টারে আনুষ্ঠানিকভাবে বেশ কয়েকজন গুণী ব্যক্তিকে সংবর্ধনা দেয়া হয়। মূলত ডিরেক্টরস গিল্ডের যে সকল সদস্য (জীবিত ও মৃত) এযাবৎ স্বাধীনতা পদক, একুশে পদক ও জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পেয়েছেন সেই সকল গুণী ব্যক্তিত্বকে এই সম্মাননা দেয়া হয়েছে। সম্মাননা প্রদান শেষে সবাইকে নিয়ে ইফতার অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানের শুরুতেই ডিরেক্টরস গিল্ডের প্রয়াত সদস্যদের প্রতি ...