Skip to main content

আইনজীবী মিমি

কাব্যিয়া সিনহা নামটির সঙ্গে এখনো হয়তো সবার পরিচয় হয়ে ওঠেনি। কাব্যিয়া সিনহা আর কেউ নয়, ধর্ষণ-হত্যা মামলায় অভিযুক্ত আসামির আইনজীবী। আসামির নাম ধনঞ্জয়। প্রায় ১৩ বছর পরে উঠে আসা এ নামটা এখনো যেন টাটকা সবার মনে। যার ফাঁসি নিয়ে তৈরি হয়েছিল চরম বিতর্ক। সেই ধনঞ্জয়ের আইনজীবী হিসেবেই দেখা যাবে টালিউড কুইন মিমিকে।

এই প্রথম অন্য ধরনের একটি চরিত্রে দেখা যাবে মিমিকে। বরাবর তাকে বাণিজ্যিক ছবিতে বেশি দেখা গেছে। তবে ‘পোস্ত’ ছবিতে তার অভিনয় অন্যভাবে দাগ কেটে গেছে সিনেমাপ্রেমীদের মনে। এবার বাস্তব কাহিনী নিয়েই তৈরি হতে চলেছে অরিন্দম শীল পরিচালিত ছবি ‘ধনঞ্জয়’। আর সেই ছবিতে নতুন লুকে পাওয়া যাবে মিমিকে।

হেতাল পারেখকে ধর্ষণ ও হত্যার জন্য ১৯৯০ সালের ১ জুলাই ধনঞ্জয় চট্টোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে মামলা হয়। ধনঞ্জয় একজন নিরাপত্তারক্ষী ছিল। মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয় ১৫ আগাস্ট। ২০০৪ সালের প্রথম দিকে, ১৪ বছরের কারাদণ্ড এবং অবশেষে ফাঁসির নির্দেশ দেয় দেশের সর্বোচ্চ আদালত।

এ গল্পের ওপর ভিত্তি করে অরিন্দম শীলের পরবর্তী ছবি তৈরি হচ্ছে। একেবারে গোয়েন্দা ছবির বাইরে গিয়ে অন্য রকম ভাবনাকে সিনেমার পর্দায় ফুটিয়ে তুলবেন অরিন্দম শীল।

ধনঞ্জয়ের চরিত্রে দেখা যাবে অনির্বাণ ভট্টাচার্যকে। এ ছবিতে তার চরিত্রের নাম মৃত্যুঞ্জয়। এ ছবিতে রয়েছেন পরাণ বন্দ্যোপাধ্যায় যাকে দর্শকেরা দেখতে পাবেন মৃত্যুঞ্জয়ের বাবার ভূমিকায়। হেতাল পারেখের চরিত্রে দেখা যাবে অনসুয়াকে। কমলেশ্বর মুখোপাধ্যায় পরিচালনার পাশাপাশি অভিনয়েও দক্ষ, তাই অরিন্দম শীলের অনুরোধে তিনি এই ছবিতে পুলিশকর্মী হিসেবে অভিনয় করছেন বলে জানা গেছে।

মৃত্যুঞ্জয় অর্থাৎ অনির্বাণ ভট্টাচার্যের স্ত্রীর ভূমিকায় রয়েছেন আর্যা বন্দ্যোপাধ্যায়। ছবিটিতে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবীর চরিত্রে দেখা যাবে হর্ষ ছায়াকে। এ ছাড়াও ছবিতে রয়েছেন সুদীপ্তা। দিল্লি, মুম্বাই, বাঁকুড়াসহ কলকাতার বিভিন্ন জায়গায় চলবে ছবির শুটিং। সব ঠিক থাকলে ১১ আগস্ট মুক্তি পাবে ছবিটি।

Comments

Popular posts from this blog

সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী প্রমোদ মানকিন আর নেই

সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট প্রমোদ মানকিন (৭৭) বুধবার ভোরে ভারতের মুম্বাইয়ের হলি ফ্যামিলি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেছেন। Click Here ফুসফুসের সংক্রমণে আক্রান্ত হয়ে ময়মনসিহংহ-হালুয়াঘাটের এই আওয়ামী লীগ নেতা কিছুদিন ধরে মুম্বাইয়ের ওই হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন। বুধবার ভোরে তার মৃত্যুর খবর দেশে আসে বলে তার পরিবারের সদস্যরা জানান। গারো সম্প্রদায়ের প্রতিনিধি প্রমোদ মানকিন জাতীয় সংসদে ময়মনিসংহ-১ (হালুয়াঘাট-ধোবাউড়া) আসনের ভোটারদের প্রতিনিধিত্ব করেছেন চার বার।    তার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রয়াত এই নেতার পরিবারের সদস্যদের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন। ১৯৩৯ খ্রিস্টাব্দের ১৮ এপ্রিল নেত্রকোণা জেলার দুর্গাপুর উপজেলার বাকালজোড়া ইউনিয়নের রামনগর গ্রামে এক গারো খ্রিস্টান পরিবারে প্রমোদ মানকিনের জন্ম। ১৯৯১ সালে আওয়ামী লীগে দিয়ে তিনি রাজনীতিতে সক্রিয় হন। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত হালুয়াঘাট উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও ময়মনসিংহ জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ছিলেন তিনি। 

সাইবার হামলা মোকাবেলা বড় চ্যালেঞ্জ

ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেছেন, এই মুহূর্তে শুধু বাংলাদেশ নয়, বিশ্বের যেকোনো ব্যক্তি, পরিবার, প্রতিষ্ঠান কিংবা দেশের জন্য সাইবার হামলা মোকাবেলা করা সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দেখা দিয়েছে। সোমবার সংসদে জাতীয় পার্টির সদস্য নূরুল ইসলাম মিলনের কার্যপ্রণালী বিধির ৭১ বিধি অনুসারে জরুরি জনগুরুত্বপুর্ণ নোটিশের জবাবে তিনি এ কথা বলেন। প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা বেশকিছু সাইবার হামলার শিকার হয়েছি। শুধু বাংলাদেশ নয়, সারাবিশ্বের অনেক উন্নত আধুনিক এবং যারা এই সাইবার জগতে নেতৃত্ব দেয় সেইসব দেশগুলোও মারাত্বকভাবে সাইবার হামলার শিকার হয়েছে।’ জুনাইদ আহমেদ পলক বলেন, এই মুহূর্তে কোন ব্যক্তি, পরিবার বা প্রতিষ্ঠানকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে হলে আর সশস্ত্র হামলা চালানোর প্রয়োজন নেই। সাইবার হামলা চালিয়েই যে কোন ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান বা দেশের ক্ষতি করা সম্ভব। তাই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আমরা বেশকিছু পদক্ষেপ নিয়েছি। তিনি বলেন, ‘ডিজিটাল বাংলাদেশের ভিশন যখন প্রধানমন্ত্রী ঘোষণা করেন তারপর থেকেই বাংলাদেশে ডিজিটাইজেশনের কার্যক্রম শুরু হয়। এরপর আস্তে আস্তে যতবেশি ডিজিটাইজেশন হয়, ত...

সরকার গঠনে বিপাকে মে

যুক্তরাজ্যের সাধারণ নির্বাচনে বেশি আসন পাওয়ার পরও দুশ্চিন্তা কাটছে না টেরিজা মের।পরিকল্পনামাফিক এগোতে গিয়ে প্রথম থেকেই ধাক্কা খেতে হচ্ছে তার দল কনজারভেটিভ পার্টিকে। পার্লামেন্টে সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারিয়ে আয়ারল্যান্ডের ডেমোক্র্যাটিক ইউনিয়নিস্ট পার্টির (ডিইউপি) সঙ্গে জোট বেধে সরকার গড়ার পরিকল্পনা করলেও এই জোট কতটা সফল হবে, তা নিয়ে এখন অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে টেরিজার দল কনজারভেটিভ পার্টির মধ্যে। রাজনীতিকদের একাংশ বলছে, ব্রেক্সিট থেকে সমকামী আইনে মতের পার্থক্যে দ্বন্দ্ব বাধতে পারে অনেক জায়গাতেই। তবে হাত গুটিয়ে বসে নেই জেরেমি করবিনও। হাউস অব কমন্সে আসন বাড়িয়ে লেবার নেতার আত্মবিশ্বাস এখন তুঙ্গে। সাধারণ নির্বাচনে দলের দুরন্ত ফলাফলের পরেই জানিয়েছেন, দেশকে নেতৃত্ব দিতে তিনি প্রস্তুত। পার্লামেন্টের অন্য দলগুলিকেও সরকার গঠনে বিরোধিতার পথে হাটার ডাক দিয়েছেন তিনি। রোববারে একটি সাক্ষাৎকারে করবিন বলেছেন, ‘এই বছরের শেষে বা আগামী বছরের শুরুতে আবারো দেশে নির্বাচন হতে পারে। এই রকম চরম অস্থিরতার মধ্য দিয়ে আমরা বেশি দিন চলতে পারব না।’ এ দিকে, ১০ ডাউনিং স্ট্রিট ও ডিইউপি রোববার জানিয়েছে, সরকার গঠনের...