Skip to main content

বিশ্বের প্রথম সারির মডেল ‘অন্ধকারের রানি’

প্রথম দেখায় কোনো পুতুল মনে হতেই পারে। কিন্তু নিখুঁত চেহারার মেয়েটি একটি রক্তমাংসের গড়া মানুষ। যাকে এক ট্যাক্সিওয়ালা চূড়ান্ত অপমান করে গায়ের রং পরিবর্তন করার পরামর্শ পর্যন্ত দিয়েছিল। হাসি দিয়ে সে অপমানের জবাব দিয়েছিলেন নিয়াকিম।
যদিও আজ অনেক মানুষেরই মাথাব্যথার বিষয় গাত্রবর্ণ। ফরসা মানেই সৌন্দর্যের প্রতীক হিসেবে ধরা হয়। আর কালো মানেই অশুভ কিংবা খারাপের চিহ্ন হিসেবে মনে করা হয়। বিশেষ করে অভিনয় কিংবা মডেলিংয়ের মতো পেশার ক্ষেত্রে।
যেখানে বাহ্যিক রুপকেই গুণ হিসেবে বিচার করা হয়ে থাকে, সেখানে সাদা চামড়ার কদরই বেশি। আর এই বিশ্বাসকেই ভুল প্রমাণিত করেছেন মডেল নিয়াকিম গ্যাটওয়েচ। কালো রংয়ের সৌন্দর্য নিয়েই আজ বিশ্বের প্রথম সারির মডেল দক্ষিণ সুদানের এই ২৪ বছরের মেয়ে।
এরপর সেই হাসিমুখেই তিনি জয় করেছেন বিশ্বকে। কারণ নিজের ওপর সম্পূর্ণ আত্মবিশ্বাস রয়েছে তার। গায়ের রং কখনও সৌন্দর্যের সংজ্ঞা হতে পারে না। সৌন্দর্য মানুষের মনে থাকে।
আর তাতে রঙের বাছবিচার থাকে না। এটাই নিয়াকি্মের আদর্শ। আর এই জন্য তার অনুরাগীরা তাকে নাম দিয়েছেন ‘কুইন অফ ডার্ক’ (অন্ধকারের রানি)।

Comments

Popular posts from this blog

সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী প্রমোদ মানকিন আর নেই

সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট প্রমোদ মানকিন (৭৭) বুধবার ভোরে ভারতের মুম্বাইয়ের হলি ফ্যামিলি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেছেন। Click Here ফুসফুসের সংক্রমণে আক্রান্ত হয়ে ময়মনসিহংহ-হালুয়াঘাটের এই আওয়ামী লীগ নেতা কিছুদিন ধরে মুম্বাইয়ের ওই হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন। বুধবার ভোরে তার মৃত্যুর খবর দেশে আসে বলে তার পরিবারের সদস্যরা জানান। গারো সম্প্রদায়ের প্রতিনিধি প্রমোদ মানকিন জাতীয় সংসদে ময়মনিসংহ-১ (হালুয়াঘাট-ধোবাউড়া) আসনের ভোটারদের প্রতিনিধিত্ব করেছেন চার বার।    তার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রয়াত এই নেতার পরিবারের সদস্যদের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন। ১৯৩৯ খ্রিস্টাব্দের ১৮ এপ্রিল নেত্রকোণা জেলার দুর্গাপুর উপজেলার বাকালজোড়া ইউনিয়নের রামনগর গ্রামে এক গারো খ্রিস্টান পরিবারে প্রমোদ মানকিনের জন্ম। ১৯৯১ সালে আওয়ামী লীগে দিয়ে তিনি রাজনীতিতে সক্রিয় হন। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত হালুয়াঘাট উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও ময়মনসিংহ জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ছিলেন তিনি। 

রোহিঙ্গা নির্যাতনের প্রতিবাদ ড্যাফোডিল শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের

মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের হত্যা, নির্যাতনের প্রতিবাদে মানববন্ধন করেছেন ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা। বৃহস্পতিবার দুপুরে স্কুলের বিপরীতে সোবহানবাগে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। মানববন্ধন শেষে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনায় অংশ নিয়ে স্কুলের শিক্ষকরা বলেন, ধর্ম যার যার, রাষ্ট্র সবার। শুধু ধর্মকে ব্যবহার করে রোহিঙ্গাদের ওপর ইতিহাসের বর্বরোচিত হামলা করে যাচ্ছে মিয়ানমারের সরকারি বাহিনী। এ হামলা থেকে রোহিঙ্গা শিশুরাও রেহাই পাচ্ছে না; যার কারণে তারা নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে বাংলাদেশে চলে আসছে। বক্তারা বলেন, মিয়ানমারের রাখাইন প্রদেশে যা ঘটছে, তা মানবতাবিরোধী অপরাধ। ইতোমধ্যে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশ বর্বরোচিত এ হামলার নিন্দা ও তা বন্ধের আহ্বান জানিয়েছে। এতে বক্তব্য রাখেন, স্কুলের অধ্যক্ষ শাহানা খান, উপদেষ্টা ড. মাহমুদুল হাসান, সিনিয়র ভাইস প্রিন্সিপ্যাল রহিমা মির্জা রোজিমেরি প্রমুখ। এছাড়া দ্রুত এ হামলা বন্ধ করে বাংলাদেশে আসা রোহিঙ্গাদের ফেরত নেওয়ারও দাবি জানান বক্তারা।