Skip to main content

শত মডেলের নগ্নযাত্রা



নগ্নতাকে ইতিবাচক এবং এর গ্রহণযোগ্যতা দিতে শত শত মডেল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক সিটিতে নগ্ন হয়ে হেঁটে তোলপাড় সৃষ্টি করেছেন।
নিজেদের নগ্ন শরীরে বিভিন্ন স্লোগান লিখে শুক্রবার টাইমস স্কয়ারে হেঁটেছেন অন্তত ২০০ নারী ও পুরুষ মডেল।
নিউইয়র্ক সিটির শিল্পী অ্যান্ডি গোলাবের সর্বশেষ প্রদর্শনীর অংশ হিসেবে এসব মডেল নগ্নশরীরে এ পদযাত্রা করেন। এ সময় শরীরে বিভিন্ন ধরনের স্লোগান লিখে সাধারণ মানুষের দৃষ্টি আকর্ষণের চেষ্টা করেন তারা। এসব লেখা ইতিবাচকভাবে তুলে ধরা হয়েছে।
মডেলদের এই পদযাত্রা নিরাপদ রাখতে সিটি পুলিশ তাদের পাহারা দিয়ে রাখে।এই নগ্নপদযাত্রার নাম শিরোনাম দেওয়া হয়, `দ্য বডি নোটস` (শরীরে লেখা নোট)। এই পদযাত্রাকে ২০১৬ সালে অনুষ্ঠিত প্রেসিডেন্ট নির্বাচনোত্তর `সাবওয়ে থেরাপি`র অনুপ্রেরণা হিসেবে উল্লেখ করেছেন প্রদর্শনীর শিল্পী অ্যান্ডি গোলাব।
দুইশ মডেল চারঘণ্টা ধরে নিউইয়র্ক সিটির টাইমস স্কয়ারে অবস্থান নেন। হেঁটে বেড়ান। ফটোগ্রাফি করেন।শিল্পী গোলাব বলেন, `বডি নোটস` প্রদর্শনীর মাধ্যমে একটি ইতিবাচক বার্তা তুলে ধরা হয়েছে। তিনি বলেন, ২০১৬ সালের নির্বাচনোত্তর শিল্পী ম্যাথিউ লিভি শ্যাভেজ `সাবওয়ে থেরাপি` হিসেবে ইউনিয়ন স্কয়ার সাবস্টেশনে কিছু বার্তা লিখেছিলেন। সেই শিল্পকর্মে অনুপ্রাণিত হয়েই দুইশ মডেল নিউইয়র্ক সিটিতে নগ্নশরীরে হেঁটেছেন। ওই সময় কমিউটার যাত্রীরা নির্বাচনের পর ওই শিল্পীর লেখাগুলো সাবওয়েতে লেখাগুলো যেভাবে পড়েছিলেন, ঠিক সেই লেখাগুলোই মডেলরা নিজেদের শরীরে লিখে সাধারণ মানুষকে ইতিবাচক বার্তা দিতে চেয়েছেন।এই সব মডেলরা নিজেদের নগ্নশরীরে স্লোগান হিসেবে লিখেছিলেন, `আর্ট ইজ ফ্রি` (মুক্তচিত্র শিল্প), `ফ্রেন্ডস মেক দ্য ওয়ার্ল্ড গো রাউন্ড` (হে বন্ধু, পৃথিবীকে নিজেদের বৃত্ত মনে করি), `আস্ক মি হোয়াই আই লাভ মাই বডি` (আমাকে জিজ্ঞাসা করুন, কেন আমি আমার শরীরকে ভালোবাসি) ইত্যাদি।
দ্য মেইল অনলাইন জানাচ্ছে, নগ্ন মডেলরা তিনঘণ্টা ধরে নিজেদের শরীরে বিভিন্ন স্লোগান লিখেছেন। একঘণ্টা ধরে টাইম স্কয়ারে ফটোগ্রাফি করেছেন।
এ সময় তাদের চারপাশে সতর্কবার্তাও লিখে রাখা হয়েছিল। সেই সতর্কবার্তায় বলা হয়েছিল, এখানে আপনাদের নগ্নতা দেখতে হবে।শিল্পী গোলাব সংবাদমাধ্যমকে জানান, নগ্নতাকে ইতিবাচক হিসেবে এবং ২০১৬ সালের নির্বাচনোত্তর এক শিল্পীর সাবওয়েতে লেখা বিভ্ন্নি স্লোগানে অনুপ্রাণিত হয়ে এই নগ্নশরীর প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়েছে। ইতিবাচক চিন্তা মানুষকে ইতিবাচক হিসেবে গড়ে তোলে।
মডেলরা মুক্তচিন্তার বিচার হিসেবে এই স্লোগান নিজেদের নগ্নশরীরে লিখে প্রদর্শন করেন বলে দ্য মেইল অনলাইন জানায়।

Comments

Popular posts from this blog

সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী প্রমোদ মানকিন আর নেই

সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট প্রমোদ মানকিন (৭৭) বুধবার ভোরে ভারতের মুম্বাইয়ের হলি ফ্যামিলি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেছেন। Click Here ফুসফুসের সংক্রমণে আক্রান্ত হয়ে ময়মনসিহংহ-হালুয়াঘাটের এই আওয়ামী লীগ নেতা কিছুদিন ধরে মুম্বাইয়ের ওই হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন। বুধবার ভোরে তার মৃত্যুর খবর দেশে আসে বলে তার পরিবারের সদস্যরা জানান। গারো সম্প্রদায়ের প্রতিনিধি প্রমোদ মানকিন জাতীয় সংসদে ময়মনিসংহ-১ (হালুয়াঘাট-ধোবাউড়া) আসনের ভোটারদের প্রতিনিধিত্ব করেছেন চার বার।    তার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রয়াত এই নেতার পরিবারের সদস্যদের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন। ১৯৩৯ খ্রিস্টাব্দের ১৮ এপ্রিল নেত্রকোণা জেলার দুর্গাপুর উপজেলার বাকালজোড়া ইউনিয়নের রামনগর গ্রামে এক গারো খ্রিস্টান পরিবারে প্রমোদ মানকিনের জন্ম। ১৯৯১ সালে আওয়ামী লীগে দিয়ে তিনি রাজনীতিতে সক্রিয় হন। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত হালুয়াঘাট উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও ময়মনসিংহ জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ছিলেন তিনি। 

সাইবার হামলা মোকাবেলা বড় চ্যালেঞ্জ

ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেছেন, এই মুহূর্তে শুধু বাংলাদেশ নয়, বিশ্বের যেকোনো ব্যক্তি, পরিবার, প্রতিষ্ঠান কিংবা দেশের জন্য সাইবার হামলা মোকাবেলা করা সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দেখা দিয়েছে। সোমবার সংসদে জাতীয় পার্টির সদস্য নূরুল ইসলাম মিলনের কার্যপ্রণালী বিধির ৭১ বিধি অনুসারে জরুরি জনগুরুত্বপুর্ণ নোটিশের জবাবে তিনি এ কথা বলেন। প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা বেশকিছু সাইবার হামলার শিকার হয়েছি। শুধু বাংলাদেশ নয়, সারাবিশ্বের অনেক উন্নত আধুনিক এবং যারা এই সাইবার জগতে নেতৃত্ব দেয় সেইসব দেশগুলোও মারাত্বকভাবে সাইবার হামলার শিকার হয়েছে।’ জুনাইদ আহমেদ পলক বলেন, এই মুহূর্তে কোন ব্যক্তি, পরিবার বা প্রতিষ্ঠানকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে হলে আর সশস্ত্র হামলা চালানোর প্রয়োজন নেই। সাইবার হামলা চালিয়েই যে কোন ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান বা দেশের ক্ষতি করা সম্ভব। তাই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আমরা বেশকিছু পদক্ষেপ নিয়েছি। তিনি বলেন, ‘ডিজিটাল বাংলাদেশের ভিশন যখন প্রধানমন্ত্রী ঘোষণা করেন তারপর থেকেই বাংলাদেশে ডিজিটাইজেশনের কার্যক্রম শুরু হয়। এরপর আস্তে আস্তে যতবেশি ডিজিটাইজেশন হয়, ত...

গুণীজনদের সংবর্ধনা দিল ডিরেক্টরস গিল্ড

এক অন্যরকম দৃষ্টান্ত স্থাপন করল ডিরেক্টরস গিল্ড। নির্মাণের সঙ্গে জড়িত নানা গুণীজনদের উৎসবমুখর পরিবেশে সংবর্ধনা দিয়েছে টেলিভিশন নির্মাতাদের সংগঠন ডিরেক্টরস গিল্ড। সংগঠনের গুণীজনদের সংবর্ধনা দেয়ার জন্য প্রথমবারের মতো এমন আয়োজন করে নাট্য নির্মাতাদের এই সংগঠন।মূলত এই সংগঠনের সদস্য যারা একুশে পদক, স্বাধীনতা পুরস্কার ও জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন তাদের সম্মান জানাতেই এই সংবর্ধনার আয়োজন করা হয়েছে বলে জানালেন সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক এস এ হক অলিক। উক্ত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন নবীন-প্রবীণ নির্মাতা, চলচ্চিত্র ব্যক্তিত্ব, নাট্য ব্যক্তিত্ব, অভিনেতা-অভিনেত্রী ও শুভানুধ্যায়ীরা। শুক্রবার পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী রাজধানীর একটি কনভেশন সেন্টারে আনুষ্ঠানিকভাবে বেশ কয়েকজন গুণী ব্যক্তিকে সংবর্ধনা দেয়া হয়। মূলত ডিরেক্টরস গিল্ডের যে সকল সদস্য (জীবিত ও মৃত) এযাবৎ স্বাধীনতা পদক, একুশে পদক ও জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পেয়েছেন সেই সকল গুণী ব্যক্তিত্বকে এই সম্মাননা দেয়া হয়েছে। সম্মাননা প্রদান শেষে সবাইকে নিয়ে ইফতার অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানের শুরুতেই ডিরেক্টরস গিল্ডের প্রয়াত সদস্যদের প্রতি ...