Skip to main content

প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশে ওমর সানির চিঠি

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বরাবর চিঠি লিখেছেন জনপ্রিয় চিত্রনায়ক ওমর সানি। চিঠির বিষয়- দক্ষিণ এশিয়ার আঞ্চলিক মুক্তবাণিজ্য (সাফটা) চুক্তি বাতিল প্রসঙ্গত।
৬ জুলাই বৃহস্পতিবার তিনি তার ফেসবুকের মাধ্যমে চিঠির একটি কপি প্রকাশ করেন।
চিঠিতে ওমর সানি লিখেছেন, ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আসসালামু আলাইকুম, প্রথমেই আপনার সুস্থতা ও দীর্ঘায়ূ কামনা করছি। আপনি বাংলাদেশের অহংকারের অহংকার ও গৌরব। সরকারের যে কোনো সিদ্ধান্তই আমাদের মানতে হবে। বাংলাদেশের জনগনের মতামতের গুরুত্ব ও মর্যাদা আপনি সবসময়ই দিয়ে থাকেন। আমি আপনার কাছে সাফটা চুক্তির কথা বলছি।
সার্ক দেশের নিয়ম অনুসারে এক দেশের ছবি আরেক দেশে চলবে এই আইন রয়েছে। আমাদের চলচ্চিত্রের সময়টা বর্তমানে খুবই খারাপ। তাই আপনার কাছে সবিনয় অনুরোধ জানাচ্ছি সাফটা চুক্তি বাতিলের।’
চিঠিতে তিনি আরও লেখেন, ‘এই এফডিসি জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর গড়া। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু যখন জীবিত ছিলেন, তখন এক দিনের নোটিশে বলেছিলেন, এ দেশে কোনো ভিনদেশীয় ছবি (হিন্দি, উর্দু, পাকিস্তানি) চলবে না। তখনকার সময় দেশের অবস্থা ছিলো নাজুক। কিন্তু এ দেশ তো বর্তমানে সে অবস্থানে নেই। বর্তমানে অনেক উন্নত হয়েছে। আপনি তো জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর সন্তান। আমরা খুব ভালোভাবেই জানি আপনিও আপনার বাবার মতো চলচ্চিত্রকে ভালোবাসেন। তাই আমরা চাই আপনার ভালোবাসা ও হাতের ছোঁয়া পেয়ে চলচ্চিত্র ফিরে পাক আবার গোল্ডেন পিরিয়ড।
যৌথ ছবি হোক, আমরাও চাই। কিন্তু সব কিছু যেন হয় সমান সমান। আমাদের দেশের হলের অবস্থা ও পরিবেশ ভালো না। হলে যেয়ে যেন আমাদের দেশের মানুষ ছবি দেখতে পারে, সে পরিবেশ সৃষ্টি করতে হবে। এফডিসিতে সার্ভার থেকে শুরু করে অন্যান্য সমস্যা সমাধান করার বিনীত অনুরোধ জানাচ্ছি। আমরা চলচ্চিত্রের মানুষরা চলচ্চিত্র নিয়ে মিলেমিশে থাকতে চাই। আমরা শুধু ভালোবাসা চাই, ভালোবাসা দিতে চাই। হানাহানি চাই না। আমাদের দেশটা অনেক সুন্দর। আমরা সবধর্মের মানুষ এক সাথে বসবাস করি এ দেশে। আমাদের জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলাদেশ সোনার মতো করেই গড়তে চাই।’
চিঠির শেষাংশে ওমর সানি বলেন, ‘আপনি আমার পরিবার থেকে মৌসুমীকে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন, আমন্ত্রণ জানিয়েছেন চলচ্চিত্রের গর্ব শাবানা আপাকে ও আলমগীর সাহেবকে। এ জন্য আপনার কাছে আমরা চলচ্চিত্রের পক্ষ হতে চিরকৃতজ্ঞ। আমি চলচ্চিত্রের একজন অতি সাধারণ মানুষ। এ দেশেরই সন্তান তাই আমার যদি কোনো ভুলত্রুটি হয় ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখার অনুরোধ রইলো। ইতি ওমর সানি।’

Comments

Popular posts from this blog

সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী প্রমোদ মানকিন আর নেই

সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট প্রমোদ মানকিন (৭৭) বুধবার ভোরে ভারতের মুম্বাইয়ের হলি ফ্যামিলি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেছেন। Click Here ফুসফুসের সংক্রমণে আক্রান্ত হয়ে ময়মনসিহংহ-হালুয়াঘাটের এই আওয়ামী লীগ নেতা কিছুদিন ধরে মুম্বাইয়ের ওই হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন। বুধবার ভোরে তার মৃত্যুর খবর দেশে আসে বলে তার পরিবারের সদস্যরা জানান। গারো সম্প্রদায়ের প্রতিনিধি প্রমোদ মানকিন জাতীয় সংসদে ময়মনিসংহ-১ (হালুয়াঘাট-ধোবাউড়া) আসনের ভোটারদের প্রতিনিধিত্ব করেছেন চার বার।    তার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রয়াত এই নেতার পরিবারের সদস্যদের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন। ১৯৩৯ খ্রিস্টাব্দের ১৮ এপ্রিল নেত্রকোণা জেলার দুর্গাপুর উপজেলার বাকালজোড়া ইউনিয়নের রামনগর গ্রামে এক গারো খ্রিস্টান পরিবারে প্রমোদ মানকিনের জন্ম। ১৯৯১ সালে আওয়ামী লীগে দিয়ে তিনি রাজনীতিতে সক্রিয় হন। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত হালুয়াঘাট উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও ময়মনসিংহ জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ছিলেন তিনি। 

Met office forecasts heavy rainfall likely

Due to active monsoon heavy to very heavy rainfall is likely to occur at  places over Chittagong, Rajshahi, Rangpur, Mymensingh and Sylhet divisions in 24 hours as of 10am  tomorrow due to fairly active monsoon over the country.  "Due to heavy to very heavy rainfall landslide may occur at places over the hilly regions of Chittagong  and Sylhet divisions," Bangladesh Meteorological Department (BMD) release said here today. Besides "Rain or thunder showers temporary southerly or south easterly gusty or squally wind speed  4 -60 kilometers per hour (kph) is likely to occur over the regions of Rangpur, Rajshahi, Pabna, Bogra,  Tangail Mymensingh, Sylhet, Jessore, Kushtia, Dhaka, Faridpur, Madaripur, Khulna, Barisal, Patuakhali,  Noakhali Comilla, Chittagong and Cox's Bazar wherein riverports shall hoist cautionary signal number  one till 6pm today.

রোহিঙ্গা নির্যাতনের প্রতিবাদ ড্যাফোডিল শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের

মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের হত্যা, নির্যাতনের প্রতিবাদে মানববন্ধন করেছেন ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা। বৃহস্পতিবার দুপুরে স্কুলের বিপরীতে সোবহানবাগে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। মানববন্ধন শেষে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনায় অংশ নিয়ে স্কুলের শিক্ষকরা বলেন, ধর্ম যার যার, রাষ্ট্র সবার। শুধু ধর্মকে ব্যবহার করে রোহিঙ্গাদের ওপর ইতিহাসের বর্বরোচিত হামলা করে যাচ্ছে মিয়ানমারের সরকারি বাহিনী। এ হামলা থেকে রোহিঙ্গা শিশুরাও রেহাই পাচ্ছে না; যার কারণে তারা নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে বাংলাদেশে চলে আসছে। বক্তারা বলেন, মিয়ানমারের রাখাইন প্রদেশে যা ঘটছে, তা মানবতাবিরোধী অপরাধ। ইতোমধ্যে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশ বর্বরোচিত এ হামলার নিন্দা ও তা বন্ধের আহ্বান জানিয়েছে। এতে বক্তব্য রাখেন, স্কুলের অধ্যক্ষ শাহানা খান, উপদেষ্টা ড. মাহমুদুল হাসান, সিনিয়র ভাইস প্রিন্সিপ্যাল রহিমা মির্জা রোজিমেরি প্রমুখ। এছাড়া দ্রুত এ হামলা বন্ধ করে বাংলাদেশে আসা রোহিঙ্গাদের ফেরত নেওয়ারও দাবি জানান বক্তারা।