Skip to main content

Posts

সিরাজগঞ্জে বাঁধ মেরামতের তত্ত্বাবধানে সেনাবাহিনী

যমুনার পানির প্রবল তোড়ে সিরাজগঞ্জের উজানে বাহুকা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নব নির্মিত মাটির বাঁধ প্রায় ৩০ মিটার বিলীন হয়েছে। বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৮টায় আকস্মিক ভাবে এই বাঁধ ধসে এলাকা জুড়ে আতঙ্কের সৃষ্টি হয়েছে। এজন্য বাঁধ অভ্যন্তরের বাহুকা, চিলগাছা, ইটালী, ভেওয়ামারা ও গজারিয়াসহ বিভিন্ন এলাকায় বন্যার পানিতে শতাধিক ঘর-বাড়ি প্লাবিত হয়েছে। রাতেই স্থানীয়রা বাঁধ মেরামতে স্বেচ্ছাশ্রমে কাজ শুরু করে। শুক্রবার সকালে তাদের সঙ্গে যোগ হয়েছে সেনাবাহিনী। ১১ পদাতিক ডিভিশনের রিভার কোরের মেজর সাইফুল ইসলামের নেতৃত্বে সেনা সদস্যদের তত্ত্বাবধানে স্থানীয় পানি উন্নয়ন বোর্ডের সদস্যরা বাঁধ সংস্কারে কাজ শুরু করেছে। জেলা পাউবোর নির্বাহী প্রকৌশলী সৈয়দ হাসান ইমাম জানিয়েছেন, দুপুরের মধ্যেই ভেঙে যাওয়া বাঁধ মেরামত করা হবে। এতে আতঙ্কের কিছু নেই

চরম দুর্ভোগে কুড়িগ্রামের দুই লক্ষাধিক বানভাসী

কুড়িগ্রামে বন্যা পরিস্থিতি অপরিবর্তিত রয়েছে। ব্রহ্মপুত্রের পানি চিলমারী পয়েন্টে বিপদসীমার ৩৫ সেন্টিমিটার ও ধরলার পানি সেতু পয়েন্টে বিপদসীমার ১ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। রাজিপুর উপজেলার বটতলা এলাকায় পাকা সড়কের ১৫ ফুট ধসে গেছে। এতে পার্শ্ববর্তী বালিয়ামারী, জালছিড়ার পাড়, মিয়া পাড়া, বটতলা মন্ডলপাড়া ও কলেজপাড়াসহ ৭ গ্রামের মানুষের যোগাযোগে দুর্ভোগ বেড়েছে। এসব এলাকার লোকজন পার্শ্ববর্তী সড়ক দিয়ে ৮ থেকে ১০ কিলোমিটার ঘুরে রাজিবপুর উপজেলা শহরে যেতে হচ্ছে। রাজিপুর উপজেলা চেয়ারম্যান শফিউল আলম জানান, রাস্তার ধসে যাওয়া অংশে বালির বস্তা ফেলে যোগাযোগ স্বাভাবিক করার কাজ চলছে। নদ-নদী তীরবর্তী চর ও দ্বীপচরসহ জেলার ৭ উপজেলার ৪২ ইউনিয়নের ৫ শতাধিক গ্রামের প্রায় ২ লক্ষাধিক মানুষ গত ৮ দিন ধরে পানিবন্দি জীবনযাপন করছে। পানিবন্দি বেশির ভাগ মানুষের ঘরের সঞ্চিত খাবার শেষ হয়ে যাওয়ায় তারা চরম খাদ্য সংকটে পড়েছে। এসব এলাকায় দেখা দিয়েছে বিশুদ্ধ খাবার পানির সংকট। অনেক বানভাসী পরিবার ঘরের ভেতর উচুঁ মাচান বেঁধে অতি কষ্টে জীবনযাপন করছে। চারণভূমি তলিয়ে থাকায় চরাঞ্চলগুলোতে দেখা দিয়েছে গো-খাদ্যের তী...

রাজশাহীতে অপরিকল্পিত পুকুর খনন: জলাবদ্ধতা-ফসলের ক্ষতি

পুকুর ও ঘেরের পানিতে ডুবেছে রাজশাহীর বিভিন্ন উপজেলার ক্ষেতের ফসল। অনুমোদন ছাড়াই ফসলি জমিতে ইচ্ছেমতো পুকুর ও ঘের তৈরি করায় একদিকে কমেছে চাষের জমি; অন্যদিকে নিষ্কাশন ব্যবস্থা অকার্যকর হয়ে একদিনের বৃষ্টিতেই জলাবদ্ধতা দেখা দিয়েছে। এতে পানিতে ফসল তলিয়ে যাওয়ায় ভুক্তভোগী চাষিরা দিশেহারা হয়ে পড়েছেন। পবায় শুধুমাত্র একটি পুকুরের জন্য জলাবদ্ধতায় নষ্ট হচ্ছে হাজার বিঘা জমির ফসল। এদিকে, কয়েক বছর ধরে রাজশাহী জেলা জুড়েই চলছে পুকুর খনন। ফসলি জমি তো বটেই কালভার্ট ও ব্রিজের মুখ বন্ধ করেও চলছে খননের কাজ। নিজের ও দলের প্রভাবে চলছে পুকুর খনন। এ ক্ষেত্রে বিশেষ কোনো দল নয়, প্রভাবশালীরাই এ কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। এমনকী পুকুর খনন প্রসঙ্গে নিশ্চুপ থাকায় প্রশাসনের কর্তাব্যক্তিরাও প্রশ্নবিদ্ধ হচ্ছেন। পুকুর খনন সিন্ডিকেটের কাছে প্রশাসন এতই দুর্বল যে, বন্ধ তো দূরের কথা, পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করতেও পারছে না। ফলে, চাষাবাদ নিয়ে বিপাকে পড়েছেন কৃষিজীবীরা। প্রশাসনে বারবার অভিযোগ দিয়েও কোনো কাজ হচ্ছে না। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, একদিনের বৃষ্টিতেই ডুবে গেছে পবা উপজেলার তেঘর, বসন্তপুর, উলাপুর, থালতা, বাগধানি, বাগসারা...

জলাবদ্ধমুক্ত রাজধানী কতদূর

মাত্র কয়েক মিলিমিটার বৃষ্টিতেই জলাবদ্ধতায় স্থবির হয়ে পড়ে রাজধানীর জনজীবন। কয়েক মিনিটেই বৃষ্টিতেই তলিয়ে যায় অধিকাংশ এলাকার রাস্তাঘাট আর ভারী বর্ষণে নাগরিক জীবনে যে ভোগান্তির সৃষ্টি হয় তা অবর্ণনীয়। ঢাকার দুই সিটি কপোরেশন ছাড়া আরও ছয়টি সংস্থা নগরবাসীর দীর্ঘদিনের এই সমস্যা নিরসনে কাজ করছে। হাজার হাজার কোটি টাকার নানা প্রকল্প সম্পন্ন ও চলমান থাকলেও উন্নয়নের নামে বিশেষত বর্ষা মৌসুমে যত্রতত্র খোঁড়াখুঁড়ি, পর্যাপ্ত ও কার্যকরী ড্রেনেজ ব্যবস্থা না থাকা, দখল-দূষণে ভরাট খাল, অপরিকল্পিত নগরায়ন ও সেবা সংস্থাগুলোর সমন্বয়হীনতার কারণে রাজধানী জলাবদ্ধমুক্ত হয়নি বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞ ও সংশ্লিষ্টরা। তবে নগরীর এই সমস্যা নিরসনে সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী কড়া নির্দেশ দিয়েছেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র নতুন সময়কে নিশ্চিত করেছে। ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি), ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি), রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক), ঢাকা ওয়াসা,পরিবেশ অধিদপ্তর, ভূমি অধিদপ্তর, বাংলাদেশ রেলওয়ে ও পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) রাজধানীর জলাবদ্ধতা নিরসনে প্রত্যক্ষ কিংবা পরোক্ষভাবে জড়িত। এছাড়া ক্যান্টনমেন্ট বোর্ডও এর ...

ইলেকট্রিশিয়ান ইউনিয়নের সংবাদ সম্মেলন

বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের প্রজ্ঞাপন বাতিল ও উচ্চ আদালতের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছে পল্লীবিদ্যুৎ ইলেকট্রিশিয়ান ইউনিয়ন। বৃহস্পতিবার বিকালে গাজীপুর মহানগরীর বোর্ডবাজার এলাকায় ফকর উদ্দিন কমিউনিটি সেন্টারে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সংবাদ সম্মেলনে ইলেকট্রিশিয়ান ইউনিয়নের আহ্বায়ক আফজাল হোসেন বিপ্লব অভিযোগ করে বলেন, ২০১৫ সালে ৬ আগস্ট বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড কর্তৃক জারিকৃত এক প্রজ্ঞাপন যার স্মারক নং-২৭.১২.৬৩৭.০১৭.৩৩.৬৩৩.১৫-২৬২এর ১৯নং আইটেমে উল্লেখ রয়েছে পল্লীবিদ্যুৎ সমিতির বিদ্যুৎ সংযোগ প্রত্যাশী কোনো গ্রাহক তার স্থাপনায় প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ভিলেজ ইলেকট্রিশিয়ান ছাড়াও যে কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান দ্বারা ওয়্যারিং করতে পারবে না। এর পরিপ্রেক্ষিতে পল্লীবিদ্যুতের বিভিন্ন দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা-কর্মচারীদের যোগসাজসে এলাকার দালালচক্র এবং অনভিজ্ঞ ব্যক্তি দ্বারা নিম্নমানের ওয়্যারিং করে বিদ্যুৎ সংযোগ দিয়ে একটি চক্র লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। ফলে গ্রাহক হয়রানিসহ নান দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছে। সংবাদ সম্মেলনে ইউনিয়নের আহ্বায়ক অভিযোগ করে বলেন, বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতা...

চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ ৫০ ঘণ্টা বিদ্যুৎহীন

চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জে গত বুধবার দুপুরে বিদ্যুৎ সরবরাহ কেন্দ্রের সাব-স্টেশনে হঠাৎ বিপর্যয় ঘটে। ফলে ওইদিন দুপুর থেকে এখন পর্যন্ত ৫০ ঘণ্টা ধরে বিদ্যুৎহীন অবস্থায় রয়েছেন এলাকাবাসী। বিদ্যুৎ বিভাগের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, শিবগঞ্জ বিদ্যুৎ সরবরাহ কেন্দ্রের সাব-স্টেশনে ৩৩ হাজার বাই ১১ হাজর ভোল্ড কেভির শিবগঞ্জ বিদ্যুৎ সরবরাহ কেন্দ্রের ফাইভ এমভিএ পাওয়ার ট্রান্সফরমারে ত্রুটি দেখা দেয়ায় বুধবার দুপুর থেকে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়। এতে করে প্রায় ১৪ হাজার গ্রাহক চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন। এদিকে এ ঘটনার পর শিবগঞ্জ বিদ্যুৎ সরবরাহ কেন্দ্রে মোতায়েন করা হয়েছে পুলিশ। শিবগঞ্জ বিদ্যুৎ সরবরাহ কেন্দ্রের আবাশিক প্রকৌশলী আজমুল হক জানান, শিবগঞ্জ বিদ্যুৎ সরবরাহ কেন্দ্রের সাব-স্টেশনে ৩৩ হাজার বাই ১১ হাজর ভোল্ড কেভির শিবগঞ্জ বিদ্যুৎ সরবরাহ কেন্দ্রের ফাইভ এমভিএ পাওয়ার ট্রান্সফরমারে ত্রুটি দেখা দেওয়ায় বুধবার দুপুর থেকে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়। তবে কবে নাগাদ বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু হবে তা নিশ্চিত করে জানাতে পারেনি সংশ্লিষ্টরা। তিনি জানান, নর্থ ওয়েস্ট জোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পনি লিমিটেডের আওতায় শ...

পানির দরে কাঁঠাল বিক্রি

ঝিনাইদহে জাতীয় ফল কাঁঠালের কদর নেই, বিক্রি হচ্ছে পানির দরে। এমনই মনে করছেন জেলার কাঠালচাষিরা। জেলার সবচেয়ে বড় কাঁঠালের হাট মহেশপুরের খালিশপুরে কাঁঠাল বিক্রি হচ্ছে একেবারে পানির দরে। বাজারে এত পরিমাণ কাঁঠাল আমদানি হচ্ছে ফলে ক্রেতার অভাব দেখা দিয়েছে। বড় সাইজের (১০ কেজির উপরে) কাঁঠাল বিক্রি হচ্ছে মাত্র ৩০ থেকে ৩৫ টাকায়। আর মাঝারি সাইজের কাঁঠাল বিক্রি হচ্ছে মাত্র ১৫-২০ টাকায়। অনেক কৃষক তাদের কাঁঠালের দাম না পাওয়ায় গরু-ছাগলের খাওয়াচ্ছেন। জাতীয় ফল কাঁঠাল আকারে বড়, পুষ্টিগুণও অনেক বেশি। কাঁঠালের কোনো অংশই অপ্রযোজনীয় নয়। পাকা কাঁঠালের কোশ সুস্বাদু খাবার, বাকল গবাদি পশুর খাদ্য, বীজ ও কাঁচা কাঁঠাল তরকারি হিসেবে খাওয়া যায়। ঝিনাইদহ অঞ্চলের মাটি কাঁঠাল চাষের জন্য উপযোগী। কোনো না কোনো বাড়ির আঙিনায় ২/৩টি কাঠাল গাছ আছেই। অনেকে আবার বাণিজ্যিকভাবে চাষ করছেন। কাঁঠাল গাছে তেমন পরিচর্যা করতে হয় না। ঝিনাইদহে এবার কাঁঠালের বাম্পার ফলন হয়েছে। জেলার মহেশপুর উপজেলা খালিশপুর বাজারে সপ্তাহে ২ দিন কাঁঠালের হাট বসে। শুক্রবার ও সোমবার সকাল থেকে বিকাল পর্যন্ত চলে কাঁঠালের কেনাবেচা। এবার প্রতি হাটে এখা...